ভারতের হামলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি পকিস্তানের
আমাদের জামালপুর জেলার খবর পেতে চোখ রাখুন সবসময়, এবং আপনার এলাকার যে কোন খবর পাঠাতে আমাদের মেইল করুন: allnewscom.24@gmail.com
ভারতের হামলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি পকিস্তানের
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জাবিপ্রবি)তে অনুষ্ঠিতব্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আন্তঃব্যাচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দ্বিতীয় ব্যাচ।
জাবিপ্রবি ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৫-এর ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ব্যাচ চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ হয় তৃতীয় ব্যাচ।
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তঃবিভাগীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৫-এর ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় ব্যাচ চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ হয় তৃতীয় ব্যাচ
ব্যবস্থাপনা বিভাগের মোট পাঁচটি ব্যাচ—দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ ব্যাচ—এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। উত্তেজনাপূর্ণ এই খেলায় ফাইনালে জায়গা করে নেয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় ব্যাচ।
ফাইনাল ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দ্বিতীয় ব্যাচ ফলে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে তৃতীয় ব্যাচ। ১২ অভারে তারা ৯৮ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় ব্যাচকে ৯৯ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ব্যাচ দারুণ খেলোয়াড়িত্ব প্রদর্শন করে। এক ওভার হাতে রেখেই তারা ১০১ রান করে জয় নিশ্চিত করে। ফলে ফাইনাল ম্যাচে তারা তৃতীয় ব্যাচকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়।
খেলা শেষে ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, ক্রীড়া ও শরীরচর্চা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জাহিদ হাসান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক আতিকুর রহমান এবং সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো. এনামুল হক।
পুরো ম্যাচজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ টুর্নামেন্টকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।#
মেলান্দহে পরীক্ষা দিতে আসা জাবিপ্রবির শিক্ষার্থী ছাত্র লীগ নেতা পুলিশের হাতে আটক
(শাহ জামাল; মেলান্দহ, জামালপুর) :
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্র লীগ নেতা মাসুদ রানাকে অবশেষে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ৬ মে তাকে জামালপুর কোর্টে চালান দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ। গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানা সমাজকর্ম বিভাগের মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের শিক্ষার্থী। মাসুদ রানা সমাজকর্ম বিভাগ ছাত্রলীগের আহবায়ক এবং মির্জা আজম হলের সহসভাপতি ছিল।
তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে হুমকি-ধমকিসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের অভিযোগ ওঠেছে। আ’লীগ সরকার পতনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ন্যায় মাসুদ রানাও আত্মগোপনে ছিল। ৫ মে মাস্টার্স ফাইনাল ইয়ারের প্রথম সেমিস্টারের প্রথম পরিক্ষা দিতে আসছিল। পরিক্ষার শেষে নিরাপত্ত্বার প্রশ্নে শিক্ষকদের সহায়তায় মাসুদ রানাকে একটি গাড়িতে তোলে দেয়া হয়। এ সময় বিক্ষুব্দ ছাত্ররা শ্লোগান দিয়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে আটকে রাখে গলায় জুতার মালা পরানোর প্রস্তুতি নেয়। ঘোলাটে পরিস্থিতির খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সহসমন্বয়ক লিটন আকন্দ, ছাত্র শিবিরের মুরসালিন এবং ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক একেএম আব্দুল্লাহ আল মাসুদ জানান-বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট আটককৃত ছাত্র লীগ নেতাসহ আরো ১৯ দুস্কৃতিকারি ছাত্র লীগের বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে আমরা অভিযোগ করেছি। এরপরও কিভাবে সে পরিক্ষায় অংশ নিল? শিক্ষকরা তাকে নিরাপদে যেতে সহায়তাও করেছেন। এ ক্ষোভে আমরা পুলিশে দিয়েছি।
এ বিষয়ে প্রোভিসি প্রফেসর ড. মোশারফ হোসাইনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি ছাত্র লীগ নেতার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমি একটা মিটিং এ আছি। আপনারা পরিক্ষা হলের দায়িত্বে থাকা এবং ছাত্র কল্যাণ সেক্টরে যোগাযোগ করেন।
পরিক্ষা হলে দায়িত্বে থাকা সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক ড. এএইচএম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র কল্যাণ -পরামর্শ দপ্তরের এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম এবং সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রক্টর ড. সাদিকুর রহমান ইমন জানান-মাসুদ রানা পরিক্ষা দিতেছে, এমন খবরে শিক্ষার্থীদের মাঝে হইচই পড়ে যায়। পরিক্ষা শেষ হবার ৫/১০ মিনিট আগেই মাসুদ রানার উত্তরপত্র জমা দেয়। নিরাপত্ত্বার প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ মাসুদ রানাকে একটি গাড়িতে তোলে দিয়েছি। এ ছাড়া আমাদের করার কিছুই ছিল না।
অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম জানান-আটককৃত মাসুদ রানাকে যুবদল নেতা মনোয়ার হোসেন মনুর ২৮/১০/২০২৪ ইং তারিখে দায়েরকৃত মালঞ্চ এলাকায় নাশকতার একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে কোর্টে চালান দেয়া হয়েছে।
আটক ছাত্রলী নেতা( ছবি সংগৃহিত)
জামালপুরে বন্ধুকে হত্যার কারনে হাফিজুর রহমান নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আর ও চারজনকে খালাস দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আবুবকর ছিদ্দিক এ রায় ঘোষণা করেন ।
হাফিজুর রহমান ঢুরিয়াভিটা গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে
সরিষাবাড়ী উপজেলার ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩ সালের ২৩ মে বিকেলে সরিষাবাড়ী উপজেলার ঢুরিয়াভিটা গ্রামের হাফিজুর রহমান বাল্যবন্ধু মোজাম্মেল হককে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মোজাম্মেল হক নিখোঁজ ছিলেন।
পরদিন জামালপুর সদর উপজেলার মেস্টা ইউনিয়নের হাসিল পারিল গৌরিপুর গ্রামে কাঁচা রাস্তার ওপর একটি মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করে। ২৫ মে জামালপুর সদর থানায় পুলিশ মামলা করে। মোজাম্মেল হক মোজাফফরকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তার ভাই শাহজাহান ১৯৯৩ সালের ২৮ মে মেস্টা ইউনিয়নে মরদেহ পাওয়ার খবর পান। তিনি থানায় গিয়ে নিহতের ছবি ও জব্দ মালামাল দেখে তার ভাইকে শনাক্ত করেন ।
পরে ১৯৯৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ২০০০ সালের ১১ অক্টোবর ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র গঠিত হয়। মামলায় ৩১ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিচারক রায় ঘোষণা করেন।
সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরিষাবাড়ী উপজেলার ঢুরিয়াভিটা গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে হাফিজুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বাকি চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এ কে এম নাজমুল হুদা।
এডিটর
মোঃ ফখরুজ্জামান
জামালপুর ।
জামালপুৃরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় নদীভাঙন থেকে রক্ষা পেতে জামালপুরের দশানী নদীতে পাল্টাপাল্টি বাঁধ নির্মাণ করেছেন এলাকাবাসী। বাঁধ নির্মাণকে কেন্দ্র করে এতে দুই উপজেলার কয়েকটি গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বাঁধের কারণে নদীর পানিনিষ্কাশন বন্ধ হয়ে গিয়ে নিম্নাঞ্চলের আবাদী ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আরও দিন বাড়ছে।
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর একটি শাখা নদী হলো দশানী নদী । এটি বকশীগঞ্জও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত দিয়ে নদীটি প্রবাহিত হয়েছে। দশানী নদী থেকে বাহাদুরাবাদ আরেকটি শাখা ইউনিয়নের খাপড়াপাড়া গ্রাম দিয়ে প্রবাহিত হয়। প্রতিবছর এই এলাকায় নদীভাঙন দেখা দেয়। ভাঙন রোধে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি জানিয়ে এলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খাপড়াপাড়া এলাকার বাসিন্দারা সম্প্রতি নদীতে আড়াআড়িভাবে্কি আর একটি বাঁধ নির্মাণ করেন।
ওই বাঁধের ফলে নদীর পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কামালের বার্ত্তী, শেখপাড়া, খানপাড়া, বাঙালপাড়া, মদনেরচর, নীলেরচর, কুতুবেরচর, চরগাজিরপাড়া গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করে। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে বকশীগঞ্জের চর আইরমারী গ্রামের বাসিন্দারাও নদীতে আরেকটি পাল্টা বাঁধ নির্মাণ করেন।
পাল্টাপাল্টি বাঁধ ও উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ এপ্রিল জেলা প্রশাসক, দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বাঁধ অপসারণ করা হয়নি। বাঁধ এলাকায় নিরাপত্তার কারণে অপরিচিত কেউ সহজে প্রবেশ করতে পারছেন না।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘নদীতে পাল্টাপাল্টি বাঁধ নির্মাণের খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরে দুই পক্ষকে নিয়ে সভা করেছি। উভয় পক্ষ বাঁধ অপসারণে সম্মত হয়েছে এবং নিজেদের ভুল স্বীকার করেছে। আশা করি, তারা স্বেচ্ছায় বাঁধ সরাবে। না হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চর আইরমারী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘খাপড়াপাড়ার বাঁধের কারণে সাধুরপাড়া, মেরুরচর ও নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ৩২টি গ্রামের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ঝুঁকির মুখে পড়বে। তাই বাধ্য হয়ে আমরা আইরমারীতে পাল্টা বাঁধ দিয়েছি।’
খাপড়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আখতারুজ্জামান বলেন, নদীভাঙনে বহু ঘরবাড়ি ও জমি বিলীন হয়েছে। বহুদিন ধরে দাবি জানালেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই নিজেদের অর্থায়নে বাঁধ নির্মাণ করেছি, যাতে বর্ষায় নদীর পানি গ্রামে ঢুকতে না পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের জামালপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নকিবুজ্জামান খান প্রথম আলোকে বলেন, নদীতে পানিপ্রবাহ বন্ধের জন্য বাঁধ নির্মাণের কোনো নিয়ম নেই। নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাঁধ অপসারণ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ভারতের হামলায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি প কিস্তানের পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদে হামলার পর বিলাল মসজিদের সামনে নিরাপত্তা বাহিনীর সদ...